14/01/2026
Forex Learning Of Bangladesh
Healthy teeth, Nice Smile
14/01/2026
welcome traders!!
নববর্ষের আগে আর একটা সপ্তাহ পাচ্ছি আমরা ট্রেডিংয়ের জন্য।সোমবার as usual market slow থাকবে,মঙ্গলবার মার্কেটে মুভমেন্ট হবে না বললেই চলে।বুধবার যদি স্বাভাবিক হয়,সেক্ষেত্রে বাকি ৩ দিন মার্কেটের পরিস্থিতি অনুযায়ী ছোট ছোট করে scalping করা যেতে পারে।লং ট্রেড ওপেন করার সঠিক সময় ১-১-১৯ তারিখ মঙ্গলবার।সবাই ভাল থাকুন।
16/09/2018
সাপোর্ট এবং রেসিসটেন্স সম্পর্কে কিছু তথ্য
যখন মার্কেট রেসিসটেন্স লেভেল একবার ব্রেক করে যায়, পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল তখন রেসিসটেন্স হিসেবে কাজ করে। আবার যখন মার্কেট সাপোর্ট লেভেল একবার ব্রেক করে যায়, পরবর্তী রেসিসটেন্স লেভেল তখন সাপোর্ট হিসেবে কাজ করে
মার্কেট সাপোর্ট এবং রেসিসটেন্স লেভেল যত বেশি টেস্ট করে, ঐ সাপোর্ট বা রেসিসটেন্স তত বেশি শক্তিশালী হয়।
ট্রেন্ড লাইন
BDPIPS E-mail Print PDF
টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিসের সবচেয়ে প্রচলিত এবং জনপ্রিয় একটি টুলস হল ট্রেন্ড লাইন। ট্রেন্ড লাইন সহজেই বোঝা যায়। ট্রেন্ড লাইন যদি সঠিকভাবে আকা যায় তবে তা অন্য যেকোনো মেথড থেকে ভাল ফলাফল দেয়। কিন্তু অধিকাংশ ট্রেডার সঠিকভাবে ট্রেন্ড লাইন আঁকতে পারে না এবং জোর করে ট্রেন্ড লাইন আকে জার ফলে তা কার্যকর হয় না।
ট্রেন্ড লাইন আঁকার জন্য মেটা ট্রেডার এর টুলস থেকে ট্রেন্ড লাইন টুল দিয়ে লাইন টানতে হয়।
লো পয়েন্টগুলো একটি ট্রেন্ড লাইনের মাধ্যমে কানেক্ট করতে হয় এবং হাই পয়েন্টগুলো একটি ট্রেন্ড লাইনের মাধ্যমে কানেক্ট করতে হয়।
যদি কোন ক্যানডেল ট্রেন্ড লাইন ক্রস করে ওপরে বা নিচে চলে যায়, তখন বুঝতে হবে ট্রেন্ড লাইন ব্রেক হয়েছে।
নিচের চার্টটি ফলো করুনঃ
ট্রেন্ড ৩ রকমঃ
আপট্রেন্ড (higher lows)
ডাউনট্রেন্ড (lower high)
সাইডওয়ে ট্রেন্ড (ranging)
আপট্রেন্ডে মার্কেট ঊর্ধ্বমুখী থাকে। তাই আপনি বাই করতে পারবেন। ডাউনট্রেন্ডে মার্কেট নিম্নমুখী থাকে। তাই আপনি সেল করতে পারবেন। সাইডওয়ে ট্রেন্ডে মার্কেট একটি নির্দিষ্ট রেঞ্জের মধ্যে ঘুরতে থাকে। তাই সাইডওয়ে ট্রেন্ডে ট্রেড না করাই ভাল।
ট্রেন্ড লাইন সম্পর্কে কিছু জরুরি তথ্যঃ
অন্তত ২টি টপ (top) অথবা বটম (bottom) পয়েন্ট সংযুক্ত করে ট্রেন্ড লাইন আঁকতে হয়। তবে ৩টি পয়েন্ট হলে ট্রেন্ড লাইন কনফার্ম হয়।
সাপোর্ট এবং রেসিসট্যান্স লাইনের মত যতই প্রাইস ট্রেন্ড লাইনগুলোকে টেস্ট করবে, ট্রেন্ড লাইনগুলো তত শক্তিশালী হবে।
জোর করে ট্রেন্ড লাইন আঁকার চেষ্টা করবেন না যদি। সেক্ষেত্রে তা ভ্যালিড ট্রেন্ড লাইন হবে না।
16/09/2018
চ্যানেল
আমরা এখানে চ্যানেল আই, বিটিভি কিংবা কার্টুন নেটওয়ার্ক চ্যানেল নিয়ে আলোচনা করব না। আমরা যদি ট্রেন্ড লাইন থিওরিকে আর এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাই এবং আপট্রেন্ড বা ডাউনট্রেন্ড লাইনের সাথে একই দিকে সমান্তরাল ভাবে আরেকটি লাইন আঁকি, তবে একটি চ্যানেল তৈরি হবে।
চ্যানেল হল টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিসের আরেকটি টুলস যা বাই বা সেল করার জন্য ভাল প্রাইস নির্ধারণ করতে আমাদের সাহায্য করে।
ঊর্ধ্বমুখী চ্যানেল আঁকার জন্য আপট্রেন্ড লাইনের সমান্তরালে একটি লাইন আঁকতে হবে এবং তা সাম্প্রতিক বটম পয়েন্টগুলোর সাথে কানেক্ট করতে হবে। ট্রেন্ড লাইন আঁকার সময়ই এই লাইনটি আঁকতে হবে।
নিম্নমুখী চ্যানেল আঁকার জন্য ডাউনট্রেন্ড লাইনের সমান্তরালে একটি লাইন আঁকতে হবে এবং তা সাম্প্রতিক টপ পয়েন্টগুলোর সাথে কানেক্ট করতে হবে। ট্রেন্ড লাইন আঁকার সময়ই এই লাইনটি আঁকতে হবে।
যখন প্রাইস নিচের ট্রেন্ড লাইনকে হিট করবে, তখন আপনি বাই করতে পারেন। আর যদি প্রাইস ওপরের ট্রেন্ড লাইনকে হিট করে তবে আপনি সেল করতে পারেন।
চ্যানেল ৩ প্রকারঃ
ঊর্ধ্বমুখী চ্যানেল (higher highs and higher lows)
নিম্নমুখী চ্যানেল (lower highers and lower lows)
সমান্তরাল বা সাইডওয়ে চ্যানেল (ranging)
চ্যানেল সম্পর্কে কিছু জরুরি তথ্যঃ
চ্যানেল আঁকার সময়, দুটি ট্রেন্ড লাইনই সমান্তরাল হতে হবে।
চ্যানেলের নিচের অংশটি বাই জোন এবং ওপরের অংশটি সেল জোন হিসেবে বিবেচিত হয়।
ট্রেন্ড লাইন আঁকার মত চ্যানেল আঁকার সময়েও জোর করে চ্যানেল আঁকার চেষ্টা করবেন না। তাহলে তা ভুল ট্রেডের নির্দেশনা দিতে পারে।
16/09/2018
সাপোর্ট এবং রেসিসটেন্স
আপনি যদি সাপোর্ট এবং রেসিসটেন্স বুঝতে পারেন তবে আপনি বুঝতে পারবেন ফরেক্স মার্কেট কিভাবে কাজ করে।
এই পদ্ধতি আপনাকে সঠিক সময়ে ট্রেড খুলতে এবং ঠিক সময়ে ট্রেড থেকে আপনাকে বের হয়ে আসতে আপনাকে সাহায্য করবে।
বিভিন্নভাবে সাপোর্ট এবং রেসিসটেন্স লেভেল বের করা যায়।
যখন মার্কেট সাপোর্ট লেভেল একবার ব্রেক করে যায়, সাধারণত প্রাইস আরও কমে যায় এবং পরবর্তী রেসিসটেন্স লেভেল তখন সাপোর্ট হিসেবে কাজ করে।
আবার যখন মার্কেট রেসিসটেন্স লেভেল একবার ব্রেক করে যায়, সাধারণত প্রাইস আরও বেড়ে যায় এবং পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল তখন রেসিসটেন্স হিসেবে কাজ করে।
তাই সাপোর্ট ব্রেক করলে সেল করা উচিত এবং রেসিসটেন্স ব্রেক করলে বাই করা উচিত।
ছবি পোস্ট করা হয়েছে
উপরের ছবিটি দেখুন। এখানে একটি জিগজ্যাগ প্যাটার্ন দেখা যাচ্ছে।
ধরুন মার্কেট আপট্রেন্ডে রয়েছে। এখানে মার্কেট সর্বোচ্চ বাড়ার পর যে প্রাইসে আবার তা কমে যেতে শুরু করে সেটাই রেসিসটেন্স।
অর্থাৎ, বেড়ে যাওয়ার পর সর্বোচ্চ পয়েন্টটিই হল রেসিসটেন্স লেভেল।
আবার কমে সর্বনিম্ন যত নিচে যায়, সেই পয়েন্টটি হল সাপোর্ট লেভেল।
মার্কেট ডাউনট্রেন্ডে থাকলেও একইরকম।
16/09/2018
পিভট পয়েন্ট কি?
বাই-সেল সিগন্যাল নির্ধারণ করার জন্য পিভট পয়েন্ট ফরেক্সে অনেক জনপ্রিয় একটি মেথড। রিভার্সাল পয়েন্ট (যেখানে গিয়ে প্রাইস বিপরীত দিকে ফিরে আসে) চিহ্নিত করার জন্য ট্রেডাররা পিভট পয়েন্ট ব্যাপকভাবে ব্যবহার করে।
পিভট পয়েন্টে চার্টটিকে কয়েকটি সেকশনে ভাগ করা হয়। মাঝের পয়েন্টটি হল পিভট পয়েন্ট (PP)। পিভট পয়েন্টের ওপরে প্রাইস থাকলে মার্কেট বুল্লিশ (মার্কেটের গতিবিধি ঊর্ধ্বমুখী) এবং পিভট পয়েন্টের নিচে প্রাইস থাকলে মার্কেট বিয়ারিশ (মার্কেটের গতিবিধি নিম্নমুখী)। R1, R2 এবং R3 হল রেসিসট্যান্স লেভেল এবং পিভট পয়েন্টের (PP) অপরে থাকে। S1, S2 এবং S3 হল সাপোর্ট লেভেল এবং পিভট পয়েন্টের (PP) নিচে থাকে।
এখানে,
PP = Pivot point (পিভট পয়েন্ট)
S = Support (সাপোর্ট)
R = Resistance (রেসিসট্যান্স)
কিভাবে পিভট পয়েন্ট হিসাব করা হয়ঃ
পিভট পয়েন্টের ক্ষেত্রেঃ
High = গতকাল প্রাইস সর্বোচ্চ যে প্রাইসে গিয়েছে
Low = গতকাল প্রাইস সর্বনিম্ন যে প্রাইসে গিয়েছে
Close = গতকাল মার্কেট যে প্রাইসে ক্লোজ হয়েছে
ক্যালকুলেশনঃ
R3 = High + 2 x (PP – Low)
R2 = PP + (High – Low) = PP + (R1 – S1)
R1 = (PP x 2) – Low
PP = (High + Low + Close) / 3
S1 = (PP x 2) – High
S2 = PP – (High – Low) = PP – (R1 – S1)
S3 = Low – 2 x (High – PP)
আপনি এখন কষ্ট করে High, low এবং close বের করে পিভট পয়েন্ট বের করতে পারেন। অথবা পিভট পয়েন্ট ক্যালকুলেটরের মাধ্যমে High, low এবং close সহজেই ডাটাগুলো বের করে নিতে পারেন। এছাড়া কিছু পিভট ইন্ডিকেটর রয়েছে, যেগুলো আপনার চার্টেই পিভট পয়েন্ট দেখিয়ে দেবে। এজন্য ইন্ডিকেটর বিভাগটি দেখুন।
কিভাবে পিভট পয়েন্ট ব্যবহার করে ট্রেড করবেনঃ
ব্রেকআউট ট্রেডিং
ব্রেকআউট হলে আপনি যেভাবে ট্রেড করেন, এখানেও তা ঠিক সেভাবেই কাজ করবে। প্রাইস যদি পিভট লাইনকে ক্রস করে এবং সেদিকে ক্লোজ হয়, তবে সাধারনত প্রাইস সেদিকেই যেতে থাকে। নিচের চার্টটি দেখুনঃ
সবুজ জায়গাটি বোঝাচ্ছে যে প্রাইস প্রথমে পিভট পয়েন্টের নিচে ছিল এবং সবুজ জায়গা থেকে পিভট লাইন অতিক্রম করে ওপরের দিকে উঠেছে।
যখন পিভট লাইন ভেঙ্গে যায়, তার মানে হল যে প্রাইস এখন সেদিকে যেতে শুরু করবে। ব্রেকআউট ট্রেড করার উপায় হল, ব্রেক হবার পরেই সেই দিকে ট্রেড ওপেন করা। আপনি যখন ট্রেড ওপেন করবেন, তখন আপনি ব্রোকেন লাইনের ঠিক বিপরীতে স্টপ লস সেট করবেন এবং টেক প্রফিট হবে পরবর্তী লাইন।
ওপরের চার্টটি দেখুন। ট্রেড ওপেন করা হয়েছিল ২.০৫৫০ (সবুজ লাইন) প্রাইসে। স্টপ লস সেট করতে হবে ১.০৫৩৫ এ পিভট পয়েন্টের (লাল লাইন) নিচে। আপনার টেক প্রফিট হবে ১.০৫৯৪ এর R1 এর আশেপাশে।
এই ট্রেডটি মাত্র ৪০ পিপসের ছিল। খুব বেশী উত্তেজিত হবার কোন কারন নেই। কারন এগুলো সবসময় কাজ করে না। টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিসের অন্য কোন কিছুর সাথে আপনি এটাকে কাজে লাগিয়ে আপনি আরেকটু নিশ্চিত হতে পারনে যে আপনি ভুল ট্রেড করতে যাচ্ছেন না।
রেঞ্জ বাউন্ড ট্রেডিং
রেঞ্জ বাউন্ড ট্রেডিং হল যখন প্রাইস ২টি পিভট পয়েন্টের মধ্যে আঁটকে থাকে, অর্থাৎ ২টি লাইনের মধ্যেই বারবার ঘুরতে থাকে। নিচের চার্টটি দেখুনঃ
যতবার প্রাইস পিভট পয়েন্টকে হিট করে, কিন্তু ব্রেক না করে ফিরে যায়, পিভট পয়েন্ট তত শক্তিশালী হয়। যদি প্রাইস দিনে কোন পিভট পয়েন্টকে ৫ বার হিট করে, কিন্তু ব্রেক না করে, তবে বুঝতে হবে পিভট পয়েন্টটি অনেক শক্তিশালী। কিন্তু প্রাইস যদি পিভট পয়েন্টকে ১ বার হিত করে, তবে রেঞ্জ বাউন্ড ট্রেডিং ট্রেডিং করার জন্য আপনি আরও ১ বার ঐ পিভট পয়েন্ট হিট করার জন্য অপেক্ষা করতে পারেন।
আপনি যদি কোন চার্ট দেখতে থাকেন এবং দেখেন যে প্রাইস কমপক্ষে ২ বার পিভট পয়েন্টকে হিট করেছে কিন্তু ব্রেক না করে বিপরীত দিকে ফিরে গেছে, তাহলে আপনি রেঞ্জ বাউন্ড ট্রেডিং করার কথা ভাবতে পারেন।
18/08/2018
প্রাইস বাড়বে কি কমবে তা জানার জন্য আপনাকে অ্যানালাইসিস করতে হবে। অ্যানালাইসিসের মাধ্যমে আপনি ট্রেড করার সঠিক আইডিয়া পেতে পারেন। অ্যানালাইসিস মূলত ৩ প্রকারঃ
ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস (Fundamental Analysis)
টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস (Technical Analysis)
সেন্টিমেন্টাল অ্যানালাইসিস (Sentimental Analysis)
আপনি প্রশ্ন করতে পারনে কোন ধরনের অ্যানালাইসিস ভাল? কিন্তু ৩ ধরনের অ্যানালাইসিসই গুরুত্বপূর্ণ।
এটা অনেকটা ৩ পা-ওয়ালা একটি টুলের মত। যদি এর কোন একটি পা ভেঙ্গে যায়, তাহলে টুলটি ভেঙ্গে যাবে এবং আপনিও মাটিতে পড়ে যাবেন। ফরেক্সের ক্ষেত্রেও আপনার কোন একটি অ্যানালাইসিস যদি দুর্বল হয়, তবে তা আপনার ব্যাপক লসের কারন হতে পারে। তাই সব ধরনের অ্যানালাইসিসই জরুরি।
18/08/2018
টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস
টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিসে ট্রেডাররা প্রাইসের মুভমেন্টের ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করে।
মুল বিষয় হল একজন ট্রেডার পূর্বের প্রাইস মুভমেন্ট দেখতে পারে, বর্তমানের প্রাইস মুভমেন্ট বুঝতে পারে এবং ভবিষ্যতের প্রাইস কেমন হবে সে সম্পর্কে ধারনা অর্জন করতে পারে।
আপনার চার্টে পূর্বের সকল প্রাইসের মুভমেন্ট চার্ট আকারে দেয়া থাকবে। তাই আপনি চাইলেই পূর্বে কি হয়েছিল তা দেখতে পারবেন। আপনি নিশ্চয়ই শুনেছেন, "ইতিহাস বারবার প্রতিফলিত হয়"?
টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস এমনই। পূর্বে যা ঘটেছিল, আমরা আশা করেতে পারি হয়তো ভবিষ্যতেও তাই ঘটতে পারে। যদি কোন প্রাইস লেভেল পূর্বে সাপোর্ট বা রেসিসটেন্স হিসেবে কাজ করে থাকে, তবে ট্রেডারদের চোখ থাকবে সেই দিকে এবং তারা তার ওপর ভিত্তি করে তাদের ট্রেড করবে।
টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিসের মাধ্যমে আমরা একই প্যাটার্ন মেলানোর চেষ্টা করি যা পূর্বে ঘটেছিল। এবং যেহেতু তা পূর্বে ঘটেছিল, তাই আমরা আশা করবো এবারও হয়ত আগের মত একই জিনিস ঘটতে পারে।
কেউ যখন টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস কথাটি বলে, তখন আমাদের মনে সর্বপ্রথম যে কথাটি আসে তা হল চার্ট। টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিসে চার্ট ব্যবহার করা হয় কারন চার্টের মাধ্যমেই হিস্টোরিকাল ডাটা সবচেয়ে সহজে উপস্থাপন করা যায়।
আপনি ট্রেন্ড এবং প্যাটার্ন বোঝার জন্য চার্টে পূর্বের ডাটাগুলো দেখতে পারেন যা কিনা আপনাকে কিছু ভাল ট্রেডের সুযোগ এনে দিতে পারে। প্রাইস প্যাটার্ন, ইন্ডিকেটরের সিগন্যাল আপনাকে মার্কেট সম্পর্কে ভাল আইডিয়া পেতে সাহায্য করতে পারে।
টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস বিষয়টা নির্ভর করে আপনি কিভাবে অ্যানালাইসিস করবেন।
জনি এবং রনি হয়তো একই চার্ট এবং ইন্ডিকেটর দেখে অ্যানালাইসিস করবে, কিন্তু তারা হয়তো একই রকম ট্রেডের আইডিয়া পাবে না, ভিন্ন ভিন্ন ট্রেডের আইডিয়া পেতে পারে।
আসল কথা হল আপনাকে টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিসের মূল কনসেপ্ট ভালভাবে জানতে হবে। আমাদের ফিবোনেসি, বোলিঙ্গার ব্যান্ড, পিভট পয়েন্ট, মুভিং এভারেজ ইত্যাদির কাজ সম্পর্কে জানতে হবে।
এখন হয়তো আপনি ভাবছেন যে ফরেক্স ট্রেডাররা অনেক স্মার্ট। তারা ফিবোনেসি, বোলিঙ্গার ব্যান্ডের মত স্মার্ট নাম জানে। যেহুতু আপনি ফরেক্স ট্রেড শুরু করেছেন, তাই হয়তো আপনি ইতিমধ্যে ফেসবুকে আপনার নাম পরিবর্তন করে এখন ফিবোনেসি তানভীর কিংবা বোলিঙ্গার রাহাত রাখার কথা চিন্তা করা শুরু করে দিয়েছেন।
পরবর্তীতে টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিসের বিভিন্ন ইন্ডিকেটর, সাপোর্ট-রেসিসটেন্স, পিভট পয়েন্ট ইত্যাদি সম্পর্কে আলোচনা করা হবে।
02/08/2018
RSI
Relative Strength Index, অথবা RSI, ইন্ডিকেটরটি stochastic এর মতই একটি ইন্ডিকেটর যা মার্কেটের overbought বা oversold অবস্থা নির্দেশ করে। RSI এ ০ থেকে ১০০ পর্যন্ত স্কেল রয়েছে। ৩০ এর নিচে রিডিং oversold নির্দেশ করে, এবং ৭০ এর ওপর রিডিং overbought নির্দেশ করে।
কিভাবে RSI ব্যবহার করে ট্রেড করতে হয়
RSI ইন্ডিকেটরটি আপনি stochastic এর মত করেই ব্যবহার করতে পারেন। আমরা টপ এবং বটম পয়েন্টগুলোকে ব্যবহার করে জানতে পারি মার্কেট কি overbought না oversold.
নিচে একটি EURUSD এর 4 Hour চার্ট রয়েছেঃ
চার্টে দেখুন EURUSD এর দাম ঐ সপ্তাহে অনেক কমেছে, ২ সপ্তাহে প্রায় ৪০০ পিপসের মত কমে গেছে।
৭ জুনে প্রাইস ১.২০০০ এর নিচে ছিল। একই সময়ে RSI ৩০ এর নিচে চলে গিয়েছিল। এটা সিগন্যাল দিয়েছে যে সম্ভবত মার্কেটে আর কোন সেলার নেই এবং হয়তো এখন সবাই বাই এর দিকে যেতে পারে। এরপর প্রাইস ওপরের দিকে উঠে গেছে এবং কয়েক সপ্তাহের মধ্যে অনেক বেড়ে গেছে।
RSI এর সাহায্যে ট্রেন্ড নির্ধারণ করাঃ
RSI এর মাধ্যমে আপনি মার্কেটে নতুন কোন ট্রেন্ড সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারবেন। আপনার যদি মনে হয় মার্কেটে নতুন কোন ট্রেন্ড তৈরি হতে যাচ্ছে, দেখুন যে RSI কি ৫০ এর ওপরে না নিচে। আপনি যদি মার্কেটে সম্ভাব্য আপট্রেন্ড আশা করেন তবে নিশ্চিত হয়ে নিন যে RSI ৫০ এর ওপরে কিনা। আর আপনি যদি মার্কেটে সম্ভাব্য ডাউনট্রেন্ড আশা করেন তবে নিশ্চিত হয়ে নিন যে RSI ৫০ এর নিচে আছে কিনা।
চার্টটি দেখে মনে হচ্ছে যে মার্কেটে সম্ভাব্য ডাউনট্রেন্ড তৈরি হতে যাচ্ছে। ডাউনট্রেন্ড নিশ্চিত করার জন্য আমরা এখন RSI ৫০ এর নিচে নামা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারি। যখন RSI ৫০ ক্রস করে নিচে নামবে, তখন আমরা মোটামুটি নিশ্চিত হতে পারবো যে মার্কেটে ডাউনট্রেন্ড শুরু হয়েছে।
আপনি কি অনলাইনে ইনকাম করতে চান?
আমরা সবাই অনলাইন থেকে টাকা উপার্জন করতে চাই কিন্তু অনেক ঘাটাঘাটি করে যখন কোন কুল কিনারা না পাই তখন আমরা হতাশ হয়ে আশা ছেড়ে দেই। আসলে অনলাইন হচ্ছে বিশাল সমুদ্র আর এই সমুদ্র থেকে টাকা উপার্জন করতে হলে আপনাকে সঠিক জায়গায় পৌছাতে হবে। অনলাইন এ টাকা ইনকাম এর অনেক পরিক্ষিত উপাই আছে, ফরেক্স এদের অন্যতম। এই মাধ্যম থেকে বিশ্বের প্রায় ৩৫% অনলাইন আয় হয়ে থাকে।
কিন্তু এই ‘ফরেক্স কী?- Forex বা Foreign Exchange বা FX- হচ্ছে
বৈদেশিক মুদ্রার ক্রয়-বিক্রয়। এটি বিশ্বের বৃহত্তম Financial Market। এর
চেয়ে বড় কোন মুদ্রা বাজার এই পর্যন্ত বিশ্বের কোথাও নেই আর ভবিষ্যতেও হবার সম্ভবনা নেই। এই বাজারটি এতো বড় যা পৃথিবীর বৃহত্তম নিউয়র্ক স্টক এক্সচেইঞ্জ মার্কেটের চেয়েও ১৮০ গুন বেশী ভলিয়ম-এ দৈনিক ট্রেড হয়। যার দৈনিক ট্রান অভারের পরিমাণ প্রায় 3.6 ট্রিলিয়ন ইউ.এস ডলারের (১০০০ বিলিয়ন = ১ ট্রিলিয়ন) চেয়েও বেশী। আর নিউয়র্ক স্টক এক্সচেইঞ্জ মার্কেটে প্রতিদিন লেনদেন হয় প্রায় ১৫৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। পৃথিবীর সবগুলো শেয়ার মার্কেট মিলেও প্রতিদিন Forex মার্কেটের সমপরিমান লেনদেন হয় না। আশা করি, এই মার্কেটের আর্থিক সক্ষমতা নিয়ে আর কিছু বলার প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না বর্তমানে Forex-কে কেউ পার্ট টাইম আবার কেউ ফুলটাইম পেশা হিসেবে নিয়েছে।
প্রশ্ন জাগতে পারে কেন অনলাইনে এতো কাজ আছে আর Forex-কেই বেছে নিবোঃ
১। আপনি আপনার ইচ্ছামাফিক ঘরে বসে কাজ করতে পারবেন, কারো কাছে জবাবদিহীতা করতে হবে না।
২। অত্যন্ত কম ডিপোজিট দিয়ে আপনি আপনার আয় শুরু করতে পারবেন। সুতরাং এর চেয়ে সহজ আর কী হতে পারে।
৩। আবিার যদি আপনার টাকা না থাকে আপনি তাহলেও লাইভ ট্রেড করতে পারবেন।
৪। অনেকে এক শেয়ার মার্কেটের সাথে তুলনা করেন। আমি তাদের সাথে একমত না। কেননা, শেয়ার মার্কেট-এ শুধু দাম বাড়লেই প্রফিট আর দাম কমলে তো কথাই নেই....মাথায় হাত। কিন্তু Forex মার্কেটের বিষয়টা খুব মজার। এখানে মুদ্রার দাম বাড়ুক/কমুক দু’ভাবেই আপনি আয় লাভ করতে পারবেন।
৫। অর্জিনাল ট্রেড শুরু করার আগে আপরি হাজার হাজার ডলার দিয়ে ডেমো প্র্যাকটিস করতে পারবেন।
৬। এখানে আপনি ব্যবসা করার সময় ব্রোকার হাইজ থেকে লোন পাবেন।
৭। চাইলে আপনি মাত্র দশ মিনিটে ১০ ডলার আয় করতে পারার সুযোগ।
৮। এখানে তারল্যের সংকট কোন দিনই আসবে না।
৯। ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য কাউকে কমিশন দিতে হবে না।
১০। স্বাধীন ভাবে কাজ করার পরিবেশ।
১১। বাজার মন্দা, এই কথাটি Forex-এর জন্য কখনই নয়।
১২। চাকুরিজীবিরা দৈনিক ৩-৪ ঘন্টা ট্রেড করে ১৫-২০ ডলার আয় করতে পারবেন।
১৩। বেকার যুবক, যুবতী, ছাত্র সকল পেশার জন্য উম্মুক্ত।
১৪। ইংরেজীতে মোটামুটি হলেই চলবে।
১৫। এখানেও রয়েছে সাপ্তাহিক ছুটি। শনি ও রবি বার। সুতরাং আপনি নিশ্চিন্তে রিল্যাক্স করতে পারেন।
১৬। পৃথিবীর যেকোন স্থানে থেকে আপনি আপনার একাউন্টে ট্রেড করতে পারবেন।
১৭। টাকা উত্তলন খুবই নিরাপদ। অনলাই-এর অত্যন্ত সিকিউর্ড রিজার্ভে আপনি আপনার ডলার গচ্ছিত রাখতে পারবেন। বছরের পর বছর।
মূলতঃ Forex একটি লাভবান ও নিরাপদ অনলাইন আউট সোর্সিং বিজনেস। যেখানে প্রফিট করতে হয় একটি ভালো ও সুশিক্ষার মাধ্যমে। না জেনে না বুঝে এই মার্কেটে নেমে পড়া মানে হচ্ছে নিজের কবর নিজে তৈরী করা। আশাকরি এতোক্ষণে কিছুটা আন্দাজ পেয়েছেন যে, প্রপার এডুকেশান ছাড়া আপনি এই মার্কেটে নিতান্তই একজন দর্শক। তাই ট্রেডার যদি হতে চান তাহলে আগে ভালো ভাবে শিখে নিন তারপর শুরু করুন। ভাববেন না আপনাদের ভয় বা পিছিয়ে যাবার জন্য কোন উৎসাহ দিচ্ছি না, কারণ আপনি যখন শিখবেন তখন নিজেই বলবেন ফরেক্স কী আসলেই এতো সোজা! তাহলে এতোদিন কেন শিখলাম না? সুতরাং, মোটেও কঠিন কিছু না....যদি আপনি শিখেন এবং শিখার জন্য Forex কঠিন কোন বিষয় না।
তবে অনেক সুবিধার কথাই আপনাদের বললাম। কিন্তু এই সুবিধা গুলো শুধুমাত্র একজন Forex-এ শিক্ষিত ব্যক্তির জন্য। অনেকেই বলেন Forex শিক্ষা খুব খঠিন, আমি তা মনে করি না, কারণ এটি সম্পূর্ণ একটি প্র্যাকটিক্যাল শিক্ষা। যারা মনে করবে আমি শিখবো এবং Forex-করবো আমি বিশ্বাস করি Forex শুধু তাদের জন্যই।
বিস্তারিত জানতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
01642006564
world currency market ফরেক্স কি?
ফরেক্স অথবা স্পট ফরেক্স হচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রার ক্রয়-বিক্রয়। ফরেক্স মার্কেট এ আপনি একটি দেশের কারেন্সি বিক্রয় করে আর একটি দেশের কারেন্সি ক্রয় করতে পারবেন।
উদহারণসরুপ, আমেরিকা বা USA এর কারেন্সি হছে ডলার, ব্রিটেন বা UK এর কারেন্সি হচ্ছে পাউন্ড। ফরেক্স মার্কেট এ আপনি ডলার বিক্রয় করে পাউন্ড অথবা পাউন্ড বিক্রয় করে ডলার কিনতে পারেন। ডলার অথবা পাউন্ড ব্যাতিতও আর বিভিন্ন দেশের কারেন্সি আছে যা ফরেক্স মার্কেট এ আপনি ক্রয়-বিক্রয় করতে পারেন।
কিভাবে ফরেক্স মার্কেট থেকে আয় করা সম্ভব?
বিভিন্ন দেশের মুদ্রা সর্বদায় পরিবরতনশিল। আপনি পত্রিকায় দেখে থাকবেন যে কখনও কখনও ডলার টাকার বিপরীতে শক্তিশালী হচ্ছে, আবার কখনও টাকা ডলার এর বিপরীতে শক্তিশালী হচ্চে। এরকম পৃথিবীর অধিকাংশ মুদ্রার বিপরিতেই হয়। সুতরাং, আপনার যদি ডলার কেনা থাকে, ডলারের বিপরীতে ইউরো এর দাম পরে গেলে আপনি ডলার বিক্রয় করে ইউরো কিনে রাখতে পারেন। আবার, ইউরো ডলার এর বিপরীতে শক্তিশালী হলে, ইউরো বিক্রয় করে অধিক ডলার পেতে পারেন।
হয়ত আপনার কাছে ১০০ ডলার ছিলো যা বিক্রয় করে আপনি ৮০ ইউরো ক্রয় করেছিলেন। পরবর্তীতে ইউরোর দাম বাড়ার পর তা বিক্রয় করে ১২০ ডলার পেলেন। এভাবে আপনি আয় করতে পারেন। শেয়ার মার্কেট এ শুধু শেয়ার এর দাম বাড়লেই (buy) আমরা প্রফিট করতে পারি। কিন্তু ফরেক্স মার্কেট এ, কোন কারেন্সি শক্তিশালী অথবা দুর্বল হক, দুই ক্ষেত্রেই আমাদের প্রফিট করার সুযোগ আছে যেটা ফরেক্স মার্কেটের সবচেয়ে বড় সুবিধা।
যেকোন বিষয় জানার জন্য কল করুন।
০১৬৪২০০৬৫৬৪
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Telephone
Website
Address
Khaserhat, Shibganj, Chapainawabganj, Rajshahi
Dhaka
6342