21/07/2026
আয়কর রিটার্নে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় এমন ১৫টি সাধারণ ভুল-
প্রতি বছর আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় অনেক করদাতার রিটার্নে কিছু সাধারণ ভুল বারবার দেখা যায়। এসব ভুলের কারণে অপ্রয়োজনীয় জটিলতা, ব্যাখ্যা প্রদান, এমনকি কর নির্ধারণেও সমস্যা হতে পারে।
সবচেয়ে সাধারণ ভুলগুলো হলো:
১. সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভা এলাকায় অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি সঠিকভাবে উল্লেখ না করা।
২. কর রিবেটযোগ্য (Tax Rebate) বিনিয়োগের হিসাব ভুল দেখানো।
৩. মোট আয়ের তুলনায় ব্যয় বেশি দেখানো, যা আর্থিক তথ্যের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ।
৪.হাতে নগদ অর্থ (Cash in Hand) অস্বাভাবিক বা অতিরিক্ত পরিমাণে দেখানো।
৫. স্বর্ণালংকারের পরিমাণ অতিরঞ্জিতভাবে উল্লেখ করা (যেমন ২০–৭০ ভরি বা তারও বেশি), যা বাস্তবতার সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ হতে পারে।
৬. সঞ্চয়, ঋণ দেওয়া বা ঋণ নেওয়ার তথ্য সম্পূর্ণভাবে উল্লেখ না করা।
৭. উপহার (Gift), অনুদান বা অন্যান্য বৈধ প্রাপ্তির তথ্য বাদ দেওয়া।
৮. পূর্ববর্তী বছরের নীট সম্পদের (Net Wealth) তথ্য ভুলভাবে বহন করা।
৯. সম্পদ-দায় ও আয়-ব্যয়ের হিসাবের পার্থক্য (Difference) শূন্য (Zero) না করা।
১০. প্রভিডেন্ট ফান্ড (PF)-এর তথ্য ভুলভাবে উপস্থাপন করা।
১১. প্রকৃত পরিমাণের চেয়ে বেশি বা ভুল কর সমন্বয় (Tax Credit/Tax Paid) দাবি করা।
১২. উৎসে কর্তিত কর (TDS)-এর তথ্য ভুল বা অসম্পূর্ণ দেওয়া।
১৩. পারিবারিক বা ব্যক্তিগত ব্যয়ের তথ্য না দেখানো, বিশেষ করে বিবাহিত করদাতাদের ক্ষেত্রে।
১৪. এফডিআর (FDR), ডিপিএস (DPS), সঞ্চয়পত্রসহ অন্যান্য আর্থিক সঞ্চয় বা বিনিয়োগের তথ্য উল্লেখ না করা।
১৫. প্রযোজ্য আইন ও বিধি অনুসরণ না করে শুধু হিসাবের ব্যালেন্স মিলিয়ে রিটার্ন দাখিল করা।
পরামর্শ:
আয়কর রিটার্ন দাখিলের আগে আয়, ব্যয়, সম্পদ, দায় এবং কর পরিশোধসংক্রান্ত সব তথ্য ও প্রমাণপত্র ভালোভাবে মিলিয়ে নিন। একটি সঠিক, পূর্ণাঙ্গ ও আইনসম্মত রিটার্ন ভবিষ্যতে অপ্রয়োজনীয় জটিলতা এড়াতে সহায়ক হবে।
19/07/2026