08/01/2026
যারা আয়কর রিটার্নকে ফালতু বিষয় ভেবে যার-তার মাধ্যমে অথবা কম্পিউটার দোকান থেকে আয়কর রিটার্ন দাখিল করেন, তাদের ভবিষ্যতে যে কী ভয়াবহ ভোগান্তি নেমে আসতে পারে তার বাস্তব উদাহরণ হচ্ছে আজকের পোস্ট।
একজন করদাতার নামে ১৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র থাকা সত্ত্বেও তিনি আয়কর রিটার্নে প্রদর্শন করেন নাই। ফলশ্রুতিতে আয়কর অফিস বেশি না মাত্র ২ লাখ ২৪ হাজার ২৫০ টাকা আয়কর দাবী করেছে।
আমরা অনেকেই আয়কর আইন না জেনে ইউটিউব দেখে আবোলতাবোল আয়কর রিটার্ন ফাইল করি। অনেকেই মনে করি, গোলেমালে আয়কর রিটার্ন দাখিল করলেই সব কাজ শেষ। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, সঠিক নিয়মে আয়কর দাখিল না করা মানে আপনার জীবনে বিপদের শুরু মাত্র।
ঘরে বসে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন সংক্রান্ত যেকোনো সেবা পেতে এখনই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুণ।
ছবি সংগৃহীত
#রিটার্ন #আয়কর #টিআইএন #জরিমানা #কর #সঞ্চয়পত্র
07/01/2026
ভ্যাট রিটার্নের সাথে মূসক ৬.১০ দাখিল বাধ্যতামূলক
ডিসেম্বর মাসের ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে মূসক ৬.১০ ফরম অনলাইনে পূরণ ও দাখিল করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
🔹 গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা:
ক্রয় ও বিক্রয়ের ক্ষেত্রে বিআইএন (BIN) বা এনআইডি (NID) সংগ্রহ করতে হবে।
ক্রয় বা বিক্রয়ে ২,০০,০০০ টাকা বা তার অধিক মূল্যের চালান থাকলে ভ্যাট অনলাইনের রিটার্ন ফরমে নতুন সংযোজিত “২বি” অংশে সেই তথ্য প্রদান করতে হবে।
মূসক ৬.১০ দাখিল না করলে ভ্যাট রিটার্ন সাবমিট করা যাবে না।
বিষয়টি এড়িয়ে গেলে ভবিষ্যতে আইনগত ও ভ্যাট ঝুঁকি তৈরি হতে পারে
🔹 নতুন পরিবর্তন:
আগে ভ্যাট অনলাইনে মূসক ৬.১০ ফরমের PDF ফাইল অ্যাটাচমেন্ট দিলেই হতো, কিন্তু এখন থেকে ফরমটি অনলাইনে পূরণ করা বাধ্যতামূলক।
#মূসক ৬.১০ ফরম পূরণের পদ্ধতি:
ভ্যাট অনলাইনে লগইন করুন
প্রতিষ্ঠানের নাম সিলেক্ট করুন
Forms ফোল্ডারে ক্লিক করুন
উপরের ডান পাশে থাকা Add Form অপশনে ক্লিক করুন
তালিকা থেকে মূসক ৬.১০ ফরম সিলেক্ট করুন
১) যেসব তথ্য প্রয়োজন হবে:চালান নম্বর ও তারিখ
চালানের মূল্য ক্রেতা/বিক্রেতার নাম ও ঠিকানা
বিআইএন বা এনআইডি নম্বর
সংশ্লিষ্ট চালানের স্ক্যান কপি (Attachment)
২) উল্লেখ্য, উপরের যেকোনো একটি তথ্য অনুপস্থিত থাকলে ফরমটি সাবমিট হবে না।
📌 উদ্দেশ্য ও আইনগত ভিত্তি:
চালান ভেরিফিকেশন নিশ্চিত করার জন্য মূসক ৬.১০ ফরম অনলাইনে পূরণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এছাড়াও ভ্যাট বিধিমালা, বিধি ৪০ অনুযায়ী এই ফরম দাখিল করা আবশ্যক।
ধন্যবাদ।
03/01/2026
📢 💰 ব্যাংক একাউন্টে আবগারি শুল্ক (Excise Duty) সম্পর্কে জানুন!
আপনার ব্যাংক একাউন্টে যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা থাকে, তবে সরকার নির্ধারিত আবগারি শুল্ক দিতে হবে — যা ব্যাংক স্বয়ংক্রিয়ভাবে কেটে নেয় প্রতি অর্থবছরের শেষে (৩০ জুন)।
🔹 ২০২৫ অর্থবছরে আবগারি শুল্কের হার💵 ৳৩,০০,০০০ পর্যন্ত 👉 কোন শুল্ক নেই
💵 ৳৩,০০,০০১ – ৳৫,০০,০০০ 👉 ৳১৫০
💵 ৳৫,০০,০০১ – ৳১০,০০,০০০ 👉 ৳৫০০
💵 ৳১০,০০,০০১ – ৳৫০,০০,০০০ 👉 ৳৩,০০০
💵 ৳৫০,০০,০০১ – ৳১,০০,০০,০০০ 👉 ৳৫,০০০
💵 ৳১,০০,০০,০০১ – ৳২,০০,০০,০০০ 👉 ৳১০,০০০
💵 ৳২,০০,০০,০০১ – ৳৫,০০,০০,০০০ 👉 ৳২০,০০০
💵 ৳৫,০০,০০,০০০ এর বেশি 👉 ৳৫০,০০০
📅 এই শুল্ক ৩০ জুন তারিখে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আপনার হিসাব থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কেটে নেয়।
📄 একাউন্ট স্টেটমেন্টে “Excise Duty” নামে এন্ট্রি হিসেবে দেখতে পাবেন।
⚠️ মনে রাখবেন, এটি সুদ বা আয়কর নয় — এটি সরকারের নির্ধারিত একটি আবগারি শুল্ক (Excise Duty) যা Banking Transactions এর ওপর প্রযোজ্য।
#আবগারি_শুল্ক েতনতা #আর্থিক_জ্ঞান #ট্যাক্স_জ্ঞান।
03/01/2026
বিষয়: আয়কর আইন ২০২৩ এর ধারা, ওয়ান ফোরটি সেভেন (147) অনুযায়ী (TDS) উৎসে কর কর্তন বা সংগ্রহ নিশ্চতকরণ ও যাচাইকরণ।
এই ধারার অধিন অনধিক ৫০,০০,০০০ লক্ষ টাকা জরিমানা করতে পারে।
আলোচনা : আয়কর আইনের এই ধারাটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ, এই ধারা অনুযায়ী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে Audit চলমান আছে। এই ধারার অধীন ক্ষমতা প্রাপ্ত কোনো কতৃপক্ষ কোনো ব্যক্তির প্রাঙ্গণে বা স্থানে প্রবেশ করিলে বা প্রবেশের অভিপ্রায় ব্যক্ত করিয়া যদি কোনো প্রকার বাধা বা প্রতিবন্ধকতা বা অসহযোগিতার সনমুখিন হইলে, উক্ত ব্যক্তিকে অনধিক ৫০,০০,০০০ লক্ষ টাকা জরিমানা আরোপ করিতে পারিবেন।
এবং কোনো ব্যক্তি এই ধারার বা এই আইনের এই অংশের ( অংশ -৭) বিধানাবলি পরিপালনে ব্যর্থ হইলে, উপকর কমিশনার (DCT) উক্ত ব্যক্তি কতৃক প্রদত্ত ব্যাখ্যা লিপিবদ্ধপূর্বক, বা কোনোরূপ ব্যাখ্যার অনুপস্থিতিতে একতরফা ভাবে কর নির্ধারণ সম্পন্ন করিয়া নিরূপিত কর ও আরোপিত জরিমানা আদায় করিবেন।
করনীয় : নিয়ম মোতাবক TDS কর্তন বা সংগ্রহ করে, নির্ধারিত সময়ে সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে TDS Return দাখিল করে সঠিক ভাবে ডকুমেন্টস আপনার প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ করতে হবে, ওয়ান ফোরটি সেভেন (147) ধারা অনুযায়ী যদি অডিট করতে আসে Tax Office থেকে, তাহলে তাদেরকে কোনো কাজে বধাদেওয়া যাবে না, সহযোগিতা করতে হবে, কারন এক্ষেত্রে জরিমানার পরিমাণ অনেক বেশি। আপনারা যারা Tax Department এ জব করেন তারা দয়া করে TDS এর SRO -১৬১ / ২০২৪ (উৎসে কর বিধিমালা, ২০২৪) ও ধারা ১৪০ থেকে ১৫১, ১৬৪,১৭৭, ১৮৬, ২৬৬ এবং ধারা ৩১৫ ভাল করে বার বার পড়লে আশাকরি অনেক কিছু জানতে পারবেন, এভাবে আপনার প্রতিষ্ঠানের TDS Return এর কাজটা করলে ভবিষ্যতে আপনার প্রতিষ্ঠান অনেক জরিমানা থেকে রেহায় পাবে।
জাহিদ বিন আজাদ, আয়কর আইনজীবী ও ভ্যাট প্রফেশনাল এর পোস্ট থেকে।
#2025
03/01/2026
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যানই যেখানে বলে দিচ্ছেন যে আয়কর রিটার্ন একটি জটিল বিষয়, সেখানে সাধারণ মানুষ কীভাবে কম্পিউটার দোকানদারের কাছে গিয়ে তাদের অনলাইন আয়কর রিটার্ন ফাইল তৈরি করে, তা আমাদের বোধগম্য নয়।
ইউটিউব ভিডিও দেখেই যদি সবাই আয়কর আইনজীবী হয়ে যেত, তাহলে এনবিআর কে কষ্ট করে আয়কর আইন প্রস্তুত করতে হতো না।
আপনি নিজে আয়কর রিটার্ন তৈরি করতে চাইলে আগে আইন ও আয়করের টেকনিক্যাল বিষয়গুলো বুঝুন অথবা একজন দক্ষ আয়কর উপদেষ্টার কাছ থেকে আয়কর রিটার্ন ফাইল প্রস্তুত করান।
মনে রাখবেন, আপনার সুরক্ষা আপনার নিজের হাতেই।
ঘরে বসে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন সংক্রান্ত যেকোনো সেবা পেতে এখনই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুণ।
#আয়কর #রিটার্ন #জটিল #এনবিআর #অনলাইনে #অফলাইনে #ইউটিউব
03/01/2026
🔔 আয়কর রিটার্নে নগদ টাকা দেখানো নিয়ে সতর্কতা 🔔
আয়কর রিটার্ন দেওয়ার সময় অনেক করদাতার একটি কমন প্রশ্ন—
�“রিটার্নে নগদ টাকা (Cash in Hand) কত দেখাবো?”
📌 সহজ উত্তর:
৩০ জুন তারিখে আপনার হাতে বাস্তবে যত নগদ টাকা আছে, ঠিক ততটাই দেখানো উচিত।
❗ কিন্তু মনে রাখবেন—
✔️ অল্প কম–বেশি হলে সমস্যা নেই
❌ অস্বাভাবিক বেশি নগদ টাকা দেখানো ঝুঁকিপূর্ণ
বর্তমানে আমরা সবাই ব্যাংক, ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ–নগদের মতো MFS ব্যবহার করি। তাই সাধারণ করদাতার হাতে লাখ–কোটি টাকা নগদ থাকার বাস্তবতা খুব কম।
🚨 অযৌক্তিক বেশি নগদ টাকা দেখালে কী হতে পারে?
ভবিষ্যতে আয়কর অডিট/নিরীক্ষার মুখে পড়তে পারেন
নগদ টাকার উৎস প্রমাণ করা কঠিন হয়ে যাবে
একবার ভুল দেখালে সেই “জের” বহু বছর বয়ে বেড়াতে হবে
💡 ব্যতিক্রম:
ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে নগদ লেনদেন বেশি হতে পারে—কিন্তু সেখানেও যৌক্তিক সীমা থাকা জরুরি।
🏦 ব্যাংক ব্যালান্সের ক্ষেত্রেও নিয়ম একই
👉 ৩০ জুন তারিখে ব্যাংক হিসাবে যত টাকা আছে, সেটাই রিটার্নে দেখাতে হবে
👉 একাধিক হিসাব হলে প্রতিটা আলাদা করে
⚠️ আত্মীয় বা বন্ধুর টাকা নিজের ব্যাংক হিসাবে রাখা ভবিষ্যতে বড় কর–ঝামেলার কারণ হতে পারে।
📢 স্মরণ রাখুন আয়কর রিটার্নে “সঠিক ও বাস্তব তথ্য” দেখানোই সবচেয়ে নিরাপদ পথ
📆 রিটার্ন দেওয়ার শেষ সময় ঘনিয়ে আসছে—ভুল নয়, সঠিকভাবে রিটার্ন দিন।
#করসচেতনতা #আয়কর।
03/01/2026
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) ব্যক্তি শ্রেণীর করদাতাদের জন্য আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বৃদ্ধি করেছে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৪–২০২৫ করবর্ষের Individual Taxpayer-দের রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।