26/03/2026
উৎসে আয়কর কর্তনের হার নিরূপণের লক্ষ্যে 'ব্যক্তি'র সংজ্ঞা স্পষ্টীকরণ।
Integrate Solutions of Business Perfections
26/03/2026
উৎসে আয়কর কর্তনের হার নিরূপণের লক্ষ্যে 'ব্যক্তি'র সংজ্ঞা স্পষ্টীকরণ।
05/03/2026
আয়কর নির্ধারণে ASYCUDA System এর তথ্যের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হলো।
03/02/2026
HS code ভিত্তিক মাসিক আমদানি তথ্য - হালনাগাদ
28/01/2026
“করদাতাদের জন্য স্বস্তির খবর—আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় আবারও বৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে শেষ সময়ের অপেক্ষা না করে এখনই রিটার্ন প্রস্তুত ও দাখিল করুন।”
মোঃ তৌহিদুর রহমান
কর আইনজীবী
📞 ০১৭১৩ ৫৬২৮৬০ (WhatsApp)
19/01/2026
আমদানী পর্যায়ে সংগৃহিত আয়কর স্বয়ংক্রিয়ভাবে করদাতার ই-রিটার্ন ক্রেডিট দেয়ার ব্যবস্থা চালু হলো। #
14/10/2025
ব্যাংক, এমএফএস (Mobile Financial Service) প্রোভাইডার এবং পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডারদের মধ্যে Interoperable লেনদেন চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই নির্দেশিকার মাধ্যমে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে টাকা লেনদেনকে আরও সহজ করার জন্য নতুন নিয়ম আনা হয়েছে।
আচ্ছা, ধরুন আপনার কাছে বিকাশ আছে, আর আপনার বন্ধুর কাছে আছে রকেট। এতদিন কী হতো? বিকাশ থেকে সরাসরি রকেটে টাকা পাঠানো যেত না।
এই নতুন নিয়ম সেটাই পাল্টে দিচ্ছে। এখন থেকে:
১. কী করতে পারবেন?
ব্যাংক থেকে MFS (বাইনান্সিয়াল সার্ভিস) ওয়ালেট: ধরুন, আপনার ডাচ বাংলা ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে টাকা আছে। আপনি সরাসরি সেই টাকা আপনার নগদ বা বিকাশ ওয়ালেটে পাঠিয়ে দিতে পারবেন।
MFS ওয়ালেট থেকে ব্যাংক: আবার উল্টোটাও হবে। আপনার বিকাশ বা রকেটে থাকা টাকাও সরাসরি আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করতে পারবেন।
MFS থেকে MFS: এটাই সবচেয়ে বড় সুবিধা। বিকাশ থেকে নগদ, রকেট বা উপায়—একের ওয়ালেট থেকে অন্য কোম্পানির ওয়ালেটে সরাসরি টাকা পাঠানো যাবে!
মোটকথা হলো, সব কোম্পানি এখন একটা কমন প্ল্যাটফর্মে চলে আসছে, যাতে টাকা পাঠানো আর কোনো ঝামেলা না হয়।
২. খরচ বা চার্জ কত?
সবচেয়ে ভালো খবর হলো, এই লেনদেনে খরচ কিন্তু বেশ কম রাখা হয়েছে। লেনদেনের ধরন গ্রাহকের জন্য সার্ভিস চার্জ ধার্য হবে।
✓ ব্যাংক থেকে টাকা পাঠালে ০.১৫%
✓ পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার থেকে পাঠালে ০.২০%
✓ MFS (বিকাশ, নগদ ইত্যাদি) থেকে টাকা পাঠালে ০.৮৫%
তবে যার একাউন্টে টাকা যাবে, তার থেকে কোন চার্জ কেটে রাখা যাবে না।
৩. কবে থেকে চালু হচ্ছে?
এটা শুরু হচ্ছে আগামী ১ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ থেকে।
#নোট: ইন্টারঅপারেবল ফান্ড ট্রান্সফার (Interoperable Fund Transfer) মানে হলো বিভিন্ন ধরনের আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্টগুলোর মধ্যে সরাসরি, দ্রুত এবং বাধাহীনভাবে টাকা লেনদেন করার ব্যবস্থা।
১০ লাখ টাকার বেশি লেনদেন হলে খতিয়ে দেখবে এনবিআর
এখন থেকে যেসব করদাতার বার্ষিক ব্যাংক লেনদেন ১০ লাখ টাকার বেশি, তাদের আয়কর রিটার্ন নিয়মিতভাবে খতিয়ে দেখবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট।
এনবিআরের অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদনে এ সিদ্ধান্তের উল্লেখ রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কারও রিটার্নে বড় অঙ্কের ব্যাংক হিসাব গোপনের প্রমাণ পাওয়া গেলে হিসাব জব্দ ও মামলা করা হবে।
এনবিআরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করদাতারা কি তাদের ব্যাংক লেনদেনের সব তথ্য রিটার্নে দেখিয়েছে কি না, তা যাচাই করা হবে। বিশেষভাবে ব্যাংকের মাধ্যমে করা আয়, ব্যয়, সম্পদ কেনাবেচা—এই সব তথ্যের প্রকৃত অবস্থা রিটার্নে উল্লেখ হয়েছে কি না, তা কঠোরভাবে পরীক্ষা করা হবে। বিভিন্ন সময়ে এনবিআরের তদন্তে দেখা গেছে যে, করদাতারা ব্যবসার তথ্য গোপন করে বা আয়ের উৎস লুকিয়ে রিটার্ন জমা দেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনেক করদাতা বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা পরিচালনা করেন। এসব ব্যবসার আয়-ব্যয় ভিন্ন ভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে হয়। কর ফাঁকি দিতে অনেকে ব্যাংক হিসাব লুকিয়ে রাখেন বা রিটার্নে উল্লেখ করেন না। এতে এনবিআরের জন্য প্রকৃত লেনদেনের হিসাব বের করা কঠিন হয়ে পড়ে।
অনেকে বড় অঙ্কের সঞ্চয় বা উত্তাধিকার সূত্রে পাওয়া সম্পদ ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন করলেও রিটার্নে তা উল্লেখ করেন না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই কাজ মূলত কর ফাঁকির উদ্দেশ্যে করা হয়। এছাড়া অনেক করদাতার সন্তান বিদেশে পড়তে গেলে স্টুডেন্ট ফাইলে টাকা পাঠানো হয়, যা রিটার্নে উল্লেখ করা হয় না।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনেক করদাতা কোটি টাকার একাধিক গাড়ি ও বিলাসবহুল ফ্ল্যাট/প্লটের মালিক। এই সম্পদগুলো ব্যাংকের মাধ্যমে কেনা হলেও, অনেকেই রিটার্নে এগুলো উল্লেখ করেন না। এনবিআরের হিসাব অনুযায়ী, রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) তথ্য অনুযায়ী কোটি টাকার গাড়ির মালিকের সংখ্যা ৬০ হাজারের বেশি।
অন্যদিকে, রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) তথ্য অনুযায়ী কোটি টাকার ফ্ল্যাটের মালিক এক লাখের বেশি।
এনবিআরের চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান বলেন, অনেকে রিটার্নে তথ্য গোপন করে কর ফাঁকি দিচ্ছেন। এটা চলতে পারে না। ব্যাংকের মাধ্যমে আয়-ব্যয় ও সম্পদ করছে, সেই তথ্য অবশ্যই রিটার্নে থাকতে হবে। রিটার্নে মিথ্যা তথ্য দেওয়া হলে আমরা কঠোর হবেন।
সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল মজিদ বলেন, ব্যাংকে হাজার হাজার কোটি টাকার লেনদেন থাকলেও অনেকে রিটার্নে তা উল্লেখ করেন না। ব্যাংকের প্রকৃত লেনদেন দেখলে কর ফাঁকি দেওয়া কমবে। রিটার্নের তথ্য খতিয়ে দেখে সারা দেশের কোটিপতির সংখ্যা নির্ধারণ করা যায়, যা প্রকৃতির সঙ্গে মেলে না।
এনবিআরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিবছরের জানুয়ারি মাসে ব্যাংকের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এরপর সেটি আয়কর রিটার্নের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে। এই প্রক্রিয়ায় ধরা পড়া লেনদেনের মধ্যে থাকবে বড় ব্যবসার লেনদেন, সম্পদ কেনাবেচা, বিদেশে টিউশন ফি প্রেরণ এবং সঞ্চয়পত্র।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ শেষে কোটিপতি হিসাবধারীর সংখ্যা ১ লাখ ২১ হাজার ৩৬২টি।
কিন্তু রিটার্নে জমা দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কোটিপতির সংখ্যা গত পাঁচ বছরে গড়ে ২৫ হাজারেই আটকে আছে। অর্থাৎ, রিটার্নের তথ্য এবং ব্যাংক হিসাবের মধ্যে বড় ফাঁক রয়েছে।
সাবেক সরকারের উপদেষ্টা মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, অসৎ করদাতারা কর ফাঁকির জন্য রিটার্নে মিথ্যা তথ্য দেন। ব্যাংকের তথ্য পাওয়া গেলে এনবিআর সহজেই এই ফাঁকি শনাক্ত করতে পারবে। তবে লক্ষ রাখতে হবে, বছরে ১০ লাখ টাকার আয় সাধারণ মানুষের জন্য অত্যধিক না হয়ে হয়রানি তৈরি না করুক।
এনবিআর ডিজিটাল ট্র্যাকিং জোরদার করতে এবং করদাতাদের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ব্যাংক হিসাব এবং রিটার্নের তথ্য অনলাইনে মিলিয়ে দেখার ব্যবস্থা করছে। এতে কর ফাঁকির পরিমাণ কমবে এবং দেশের রাজস্ব সংগ্রহ বৃদ্ধি পাবে।
ব্যক্তি করদাতাগণের অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ফলে বহু বছর ধরে চলে আসা সনাতনি পদ্ধতিতে আয়কর রিটার্ন দাখিলের অবসান হলো। নি:সন্দেহে জনবান্ধব সিদ্ধান্ত। এখন থেকে ট্যাক্স অফিসের দৌরাত্ম ও হ্যাসেল কমে যাবে, কমে যাবে সার্টিফিকেট বানিজ্য।
সতর্কতা: নিজে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করলে নির্ভুলভাবে করুন, কারন ফাঁকি ধরা এখন অটোমেটেড হয়ে গেছে। বিশেষ করে গাড়ি, ব্যাংক, সন্চয়পত্র, ভবন/বাড়ি নির্মান, ফ্লাট, ডিজিটালি রেজিষ্টার্ড যেকোনো কিছুর একসেস রাজস্ব বোর্ডের রয়েছে।
আয়কর উপদেষ্টা
ভ্যাট অফিসের অডিট রিপোর্ট চাওয়া ও পরবর্তী নোটিশ মোকাবেলায় করণীয়:
বর্তমানে ভ্যাট অফিস হতে প্রায় সকল প্রতিষ্ঠানে অডিট রিপোর্ট চেয়ে চিঠি ইস্যু করা হচ্ছে যেখানে এক বছর দুই বছর বা ক্ষেত্রবিশেষ তিন বছর পর্যন্ত অডিট রিপোর্ট জমা দিতে বলা হচ্ছে। আইনের বিধান অনুসারে আপনি ভ্যাট অফিসে অডিট রিপোর্ট জমা দিতে বাধ্য। অডিট রিপোর্ট জমা দানের কয়েক দিনের মধ্যে আপনি আরও একটি নোটিশ প্রাপ্ত হবেন যেখানে একটি বড় অংকের অর্থ ভ্যাট বাবদ বাকেয়া আছে বলে উল্লেখ থাকবে এবং এর সপক্ষে আপনার ব্যাখ্যা উপস্থাপন করতে বলবে।বিক্রয়ের স্বপক্ষে ভ্যাট জমা, ক্রয় বা আমদানির স্বপক্ষে ভ্যাট বা উৎসে আয়কর সঠিকভাবে কর্তন করেছেন কিনা তা পর্যালোচনা করা হবে। এসক ক্ষেত্রে আপনার করনীয় কি চলুন জেনে নেই।
• আপনি অডিট রিপোর্ট জমাদানের দিন হতে নিজে নিজে অডিট রিপোর্ট পর্যালোচনা শুরু করুন
• যে সকল খাতের ভিডিএস কর্তন করার কথা তা চিহ্নিত করুন ক্রমান্বয়ে ব্যয়ের খাত সমূহ লিপিবদ্ধ করুন যেমন সম্পত্তি খাতে ভ্যালু এডিশন হয়েছে কিনা বা যেকোন ক্রয় বা অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ এক্সপেন্স সহ অন্য খরচের বিপরীতে ভ্যাট কর্তন করা আছে কিনা
• খরচের খাত অনুযায়ী ভ্যাটের হার উল্লেখ করুন এবং প্রতিটি খরচের খাত অনুযায়ী ভ্যাটের পরিমাণ বের করুন
• উক্ত খরচের বিপরীতে আপনি কত টাকা সরকারি কোষাগারে জমা করেছেন তা উল্লেখ করুন
• এ- চালানের ট্রাকিং নাম্বার এবং তারিখ উল্লেখ করুন বর্তমানে এ চালানের ট্রাকিং নাম্বারের সাহায্যে আপনার জমাকৃত চালানের কপি সহজেই পাওয়া যায়
• প্রদেয় অর্থের বিপরীতে জমাকৃত অর্থের কোন পার্থক্য আছে কিনা তা খুঁজে বের করুন
• পার্থক্য থাকলে অতি দ্রুত জমাদানের ব্যবস্থা করুন অন্যথায় সুদসহ অর্থ পরিশোধ করা লাগতে পারে
• ভ্যাট অফিস হতে দ্বিতীয় নোটিশের অপেক্ষা করুন নোটিশ পাওয়া মাত্র আপনার ব্যাখ্যা প্রদান করুন নিশ্চিন্ত থাকুন
পরবর্তী বছর হতে করণীয়-
• অডিট রিপোর্ট প্রস্তুত এর পূর্বেই আপনার ভ্যাট ক্যালকুলেশন ঠিক করে নিন এবং প্রদেয় অর্থ জমা দিন এবং সাথে সাপোর্টিং ডকুমেন্ট প্রস্তুত রাখুন
সচেতন থাকুন, জরিমানা এড়ান
05/06/2025
"কর দিবস" এর পরিবর্তে "রিটার্ন দাখিলের নির্দিষ্ট তারিখ" চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে....
☀️ ব্যক্তি করদাতার রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা ৩০ নভেম্বর বহাল।
☀️ কোম্পানি করদাতার ক্ষেত্রে অর্থ বছরে শেষ হবার নবম মাসের ১৫ তারিখ। (অর্থ বছর জুন ক্লোজিং হলে পরের বছরের ১৫ই মার্চ শেষ দিন)
☀️নতুন করদাতার ক্ষেত্রে কর বর্ষের শেষ দিন (অর্থাৎ ৩০ জুন)।
☀️ বিদেশে অবস্থানকারী ব্যক্তির ক্ষেত্রে তার দেশে ফেরার ৯০ তম দিন।
📌 সবচেয়ে আকর্ষণীয় সুবিধা হল নতুন কোন ব্যক্তি করদাতা উপরোক্ত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল না করতে পারলে তিনি কমিশনার বরাবর সময় বৃদ্ধির আবেদন করে রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৯০ দিন সময় পাওয়া যাবে!
02/06/2025
Individual tax rate for IY 2025-2026 (AY 2026-2027). From July '25 salary tax to be deducted as per the following slab.
27/05/2025
আয়কর আইন-২০২৩ এর নতুন এসআরও:১৫০-আইন/আয়কর-০৫/২০২৫।
স্বাভাবিক করদাতা কর্তৃক নিম্নোক্ত প্রতিষ্ঠানে দান অনুদান করলে আয়কর রেয়াত সুবিধা পাওয়া যাবে।